

বৃহস্পতিবার ● ৮ ডিসেম্বর ২০২২
প্রথম পাতা » নওগাঁ » ধান ব্যবসার আড়ালে প্রতারণা : গ্রেপ্তার-১
ধান ব্যবসার আড়ালে প্রতারণা : গ্রেপ্তার-১
নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি :: নওগাঁর আত্রাইয়ে ধান ব্যবসায়ী প্রতারক চক্রের হোতা এরশাদ আলী বাবুকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
আটককৃত এরশাদ নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার তাতারপুর গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে। রিমান্ডের মাধ্যমে প্রতারনার বিষয় স্বীকার করেছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আত্রাই থানা ওসি তারেকুর রহমান সরকার।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতারনার কারনে এরশাদ তাতারপুর গ্রাম ছেরে পার্শ্ববর্তী উপজেলা নিয়ামতপুরের আমইল বোনের বাড়ীতে আশ্রয় নেয়। সেখানে কয়েক মাস প্রতারনার এক পর্যায়ে প্রায় ২০/২২ বছর আগে নিরুদ্দেশ হয় এরশাদ। নিরুদ্দেশের পর ঢাকা থেকে ধান ব্যবসায়ী সেজে সারা দেশে প্রতারনা চালিয়ে যায়। এর ধারাবাহিকতায় অক্টোবরের ২ তারিখে উপজেলার কাশিয়াবাড়ী ও সোনাইডাঙ্গা গ্রাম থেকে বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে ধান ক্রয় করে নাটোর জেলাধীন সিংড়া উপজেলার আলিফ নামে ধান ব্যবসায়ীর কাছে বাজার মূল্যের কম দরে ধান বিক্রি করে। ধান মাপ চলাকালিন সময়ে ক্রেতার নিকট থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়ে কৌসলে পালিয়ে যায় এরশাদ। এদিকে ধান ওজন করে দেওয়ার পর গৃহস্ত ধানের টাকা চাইলে ক্রেতা বলেন আপনার লোককে টাকা দিয়ে দিয়েছি। টাকা নাপেলে গৃহস্ত তার ধান পুনরায় গোলায় রেখে দিলে ধান ক্রেতা আলিফ বাদী হয়ে আত্রাই থানায় প্রতারনা মামলা করেন।
এ বিষয়ে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারেকুর রহমান সরকার বলেন, আমরা দীর্ঘ এক মাসের অধিক সময় ১০/১২ টি মোবাইল নম্বর ট্যাকিং করার পর এরশাদের নাম ও ঠিকানা সনাক্ত করতে সক্ষম হই। এর পর জয়পুরহাট জেলার পৃথিবী আবাসিক হোটেলের ২২৫ নং কক্ষ থেকে গত ৬ নভেম্বর রাতে এরশাদকে আটক করি। আটকের পর কোর্টের মাধ্যমে থানায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারি বিভিন্ন স্থানে নাম পরিচয় পরিবর্তন করে আতœগোপনে থেকে প্রতারনার কাজ চালিয়ে যান। প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত সিমগুলো অন্যের নামে কিনে প্রতারনা শেষে ফেলে দেন। তার নিজের নামে কোন সিমকার্ড পাওয়া যায়নি এবং একাধিক বিয়ের খবর পাওয়া গেছে।