

বৃহস্পতিবার ● ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
প্রথম পাতা » সকল বিভাগ » কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে আলট্রা ম্যারাথনে অভাবনীয় সাফ্যলো নবীগঞ্জের
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে আলট্রা ম্যারাথনে অভাবনীয় সাফ্যলো নবীগঞ্জের
উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :: দেশের পর্যটন এলাকা কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে কোস্টাল আলট্রা বাংলাদেশ কর্তৃক গত ২০-২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ আয়োজিত এক আলট্রা ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়।
এতে ৫০ কিলো মিটার ১০০কিলোমিটার, ১৬১ কিলোমিটার এবং ২০০ কিলো মিটার এই ৪টি ক্যাটাগরিতে উক্ত ম্যারাথনে বাংলাদেশের আলট্রা রানারগন অংশগ্রহন করেন। ৫০ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে হবিগঞ্জ নবীগঞ্জের কৃতি রানার আনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সাফল্যের সাথে রান সম্পন্ন করেন এবং ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেন।
কোস্টাল আলট্রা বাংলাদেশ একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সংস্থাটি প্রায় প্রতি বছর বাংলাদেশের রানারদের নিয়ে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে আলট্রা ম্যারাথনের আয়োজন কওে থাকেন। এজন্য তারা রানারদের কাছ থেকে কোনও রেজিষ্ট্রেশন ফি নেয়না। জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি এবং দেশে আল্ট্রা রানার তৈরির উদ্দেশ্যে উক্ত রানের আয়োজন কওে থাকে প্রতিষ্টানটি।
বিজয়ী আনোয়ার হোসেন ২০২২ সালে মৌলভীবাজার হাফ ম্যারাথনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রান শুরু করেন এবং প্রথম ইভেন্টেই ৭ম স্থান অর্জন করেন। এরপর ইউনিমার্ট সিলেট হাফ ম্যারাথন, খুলনা হাফ ম্যারাথন, বিমান হাফ ম্যারাথন, ময়মনসিংহ হাফ ম্যারাথন, চট্টগ্রাম হাফ ম্যারাথন, বিওএ হাফ ম্যারাথন, সিরাজগঞ্জ হাফ ম্যারাথন সহ অনেক ম্যারাথন অত্যন্ত সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন। ২০২৪ সালে খুলনা ২৫কিলোমিটার রানে (ভেটেরান ৪৪+ ক্যাটাগরিতে) চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ম্যারাথন ইভেন্ট ঢাকা আন্তর্জাতিক ম্যারাথনে (৪২:১৯৫ কিলোমিটার) এই পর্যন্ত তিনবার অংশ গ্রহণ করেন এবং সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন।
পেশাগত জীবনে আনোয়ার হোসেন হবিগঞ্জ নবীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্টান রাগীব রাবেয়া ডিগ্রী কলেজ, পানিউমদায় ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর উপজেলা, জেলা, বিভাগ এবং জাতীয় পর্যায়ে ম্যারাথনের আয়োজনের মাধ্যমে ম্যারাথনকে মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিবেন। এতে করে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়বে। বাংলাদেশ একটি সুস্থ নাগরিকের দেশে পরিনত হবে। আগামীতে তিনি পর্যায়ক্রমে ১০০ কিলোমিটার, ১৬১ কিলোমিটার ও ২০০ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে রান করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং সকলের নিকট আগামীর সফলতা কামনা করেন।