শিরোনাম:
●   সামাজিক সংগঠন ‘ইগনাইট মিরসরাই’র আত্মপ্রকাশ ●   আত্রাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালন ●   অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির সকল উসকানির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে ●   রাউজানে আগুনে ৫ দোকান ভস্মিভূত ●   ঘোড়াঘাটে দৈনিক সকালের বাণীর ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ●   রাঙামাটিতে জাতীয় যুব দিবস পালিত ●   ছেলেকে ফিরে পেতে এক মায়ের আকুতি ●   কাউখালীতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য অপহরণ ●   ঈশ্বরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত ●   মিরসরাইয়ের বিএনপি নেতা হত্যার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা ফিরোজ গ্রেফতার ●   আত্রাইয়ে নবাগত ইউএনও‘র যোগদান ●   খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ’র সড়ক অবরোধ পালিত ●   মিরসরাইয়ের ধুমে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ●   কুষ্টিয়াতে আাধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আপন দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা ●   ঈশ্বরগঞ্জে জিয়ারুল হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার-২ ●   নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ●   সবার জন্য ভিটামিনসমৃদ্ধ নিরাপদ ভোজ্যতেল নিশ্চিত করতে হবে ●   ঘোড়াঘাটে জমিজমা বিরোধে মা ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা ●   ঈশ্বরগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১ : আহত ২ ●   তারল্য সংকটে ন্যাশনাল ব্যাংক, সিলেটের শিবগঞ্জে ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের তালা ●   খাগড়াছড়িতে তিন ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা : অবরোধের ডাক ●   বারইয়ারহাট থেকে বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ●   গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানেরও সংস্কার জরুরী ●   তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের আর্থিক ক্ষমতা না থাকায় উন্নয়ন কাজে বন্ধ্যাত্ব বিরাজ করছে ●   রাঙামাটিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অবহিতকরণ বিষয়ক সেমিনার ●   ঈশ্বরগঞ্জে উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগের প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ●   উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা’র সাথে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ ●   নবীগঞ্জে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, উত্তপ্ত শহিদ কিবরিয়া চত্বর,মহাসড়ক অবরোধ ●   কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে নিখোঁজের ৩৪ ঘণ্টা পর এএসআই সদরুলের মরদেহ উদ্ধার ●   আসামি ধরতে গিয়ে হামলায় রামগড়ে এসআই আহত
রাঙামাটি, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪, ১৭ কার্তিক ১৪৩১



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ৭ জুলাই ২০১৯
প্রথম পাতা » পাবনা » চলনবিলে ভরা বর্ষা মৌসুমে পানিশুন্য : মাঠে গরু চড়ছে
প্রথম পাতা » পাবনা » চলনবিলে ভরা বর্ষা মৌসুমে পানিশুন্য : মাঠে গরু চড়ছে
রবিবার ● ৭ জুলাই ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

চলনবিলে ভরা বর্ষা মৌসুমে পানিশুন্য : মাঠে গরু চড়ছে

---চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি :: চলনবিল অধ্যুষিত বিলগুলি ঘুরে দেখা যায়, কোথাও কোন পানি নেই। বোরো ধান কাটার পর ফাঁকা মাঠ। বিচ্ছিন্ন কিছু জমিতে পাট ও আউশ আবাদ করা হয়েছে। বৃষ্টি বা পানির অভাবে সে ফসল বাড়ছে না। বিশাল চলনবিলের মাঠে মাঠে গরু চড়ছে। তবে গুমানী, চিকনাই আর বড়ালে সামান্য পানি এসেছে। এদিকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অস্থিও হয়ে পড়েছে। কোথাও যেন নেই স্বস্থিও নিঃশ্বাস। খোঁজ নিয়ে জানা গেলো গোটা চলনবিল এলাকায় একই অবস্থা বিরাজমান।

চাটমোহরের হান্ডিয়াল গ্রামের প্রবীণ কৃষক আকবর আলী বলেন, বদলে গেছে সবকিছু। আগে বর্ষাকালের শুরুতেই চলনবিল জুড়ে নতুন পানির আগমন ঘটতো। আকাশ ভেঙ্গে যেন বৃষ্টির পানি পড়তো। সে সময় কৃষক মাঠে গিয়ে খেয়া জালসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে নতুন পানিতে নানা প্রজাতির দেশী মাছ শিকার করা হতো। এখন পানিও নেই, মাছও নেই, বদলে গেছে সবই।

পানিশুন্যতার কারণে মরুকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা এমনটাই আশঙ্কা করছেন। তারা বলেন, মরুকরণের প্রধান দুটি বিষয় হচ্ছে একটি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে যদি সেখানকার মাটি অনুর্বর হতে থাকে এবং যদি নদী-নালা, খাল-বিল শুকিয়ে যেতে থাকে এবং বৃষ্টির অভাব ঘটে। বিগত কয়েক দশক ধরে এ লক্ষণগুলো খুব বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে বাংলাদেশে।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী দেশে মোট নদীর সংখ্যা ৩১০ টি। এরমধ্যে মৃত ও মৃতপ্রায় নদীর সংখ্যা ১১৭ টি। এদিকে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, সাধারণ হিসাবে গত ৪০ বছরে শুধুমাত্র তিনটি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা, যমুনার এই তিনটি নদীতেই এ পর্যন্ত বিলীন হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর জমি। আর তার বিপরীতে নতুন ভূমি জেগেছে মাত্র ৩০ হাজার হেক্টর। প্রতিবছর কোনো না কোনো নদীর শাখা ধীরে ধীরে পলি পড়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কোনো কোনো নদী দখল হয়ে যাচ্ছে ভূমিদস্যুদের হাতে।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান রশীদ হোসাইনী বললেন, বর্ষাকালে বৃষি না থাকায় কৃষক আমনের আবাদ থেকে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। পাট ও আউশ আবদে প্রভাব পড়ছে। তবে মাত্র বর্ষকাল শুরু হলো। বর্ষায় হয়তো বৃষ্টি হবে। তখন কৃষির জন্য উপকার হবে।

চলনবিল ও বড়াল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব এসএম মিজানুর রহমান বলেন, ১৯৮০ সাল পর্যন্ত চলনবিলের পানি সরবরাহের অন্যতম বড়াল নদে পানিপ্রবাহ ছিল। ১৯৮১ সালে রাজশাহীর চারঘাটে পদ্মা থেকে বড়ালের উৎসমুখে ও পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দহপাড়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দুটি জলকপাট নির্মাণ করে। এতে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয়। ফলে নৌযান চলাচল ব্যাহত হতে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা তখন নদ পারাপারের জন্য সেতু তৈরির দাবি তোলেন। কিন্তু সেতু না করে বড়ালে চারটি আড়াআড়ি বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এতে বড়ালে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড চলনবিলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বেশ কিছু জলকপাট নির্মাণ করায় চলনবিলে পানি প্রবেশের পথ বাধাগ্রস্থ হয়। দিনে দিনে দখল-দূষণে ২২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে বড়াল পরিণত হয় মরা খালে। পানি না পেয়ে ব্যাহত হতে থাকে বিস্তীর্ণ চলনবিলের চাষাবাদ। ফলে ভরা বর্ষা মৌসুমেও পানিশুন্য।





আর্কাইভ